Akhialamgirsex

Posted by / 20-Nov-2019 06:29

”আমি হঠাৎ করে টের পেলাম আমি কথা বলতে চাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না। আমার গলা যেন কে চেপে ধরেছে। সেটাই মনে হয় বাকরুদ্ধতা। বাকরুদ্ধ আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, “অপূর্ব…….।”ও আমার সামনে কিছুক্ষণ পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার সময়,ঘড়ি,টাইম কিছুই মাথায় ঢুকছিল না। আমি শুধুই তাকিয়ে ছিলাম অবাক বিস্ময় নিয়ে। আমার চেনা সপ্নাকে অচেনা ভাবে দেখছিলাম। ওর এত্ত রূপ আমার চোখে এর আগে কখনও ধরা পড়ে নাই।আমি কিছুই বললাম না। ও আমার বাড়াতে তেল মাখিয়ে খেঁচতে লাগলো। কেমন করে যেন খেঁচতেছিল। আমি কখনও Hand job এ এত মজা পাই নাই। ওর চোখ মুখেও একটা কামার্ত ভাব ছিল। তারপর আমি চোখ বন্ধ করে পুরো ব্যাপারটা অনুভব করতে লাগলাম। একটু পর ও বলল, “Would you like to give your dick into my mouth?”আমি হঠাৎ করে টের পেলাম আমি কথা বলতে চাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না। আমার গলা যেন কে চেপে ধরেছে। সেটাই মনে হয় বাকরুদ্ধতা। বাকরুদ্ধ আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, “অপূর্ব…….।”ও আমার সামনে কিছুক্ষণ পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার সময়,ঘড়ি,টাইম কিছুই মাথায় ঢুকছিল না। আমি শুধুই তাকিয়ে ছিলাম অবাক বিস্ময় নিয়ে। আমার চেনা সপ্নাকে অচেনা ভাবে দেখছিলাম। ওর এত্ত রূপ আমার চোখে এর আগে কখনও ধরা পড়ে নাই।পরে জেনেছিলাম ও নাকি সেই রাতে পাক্কা চল্লিশ মিনিট আমাকে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে ডাক দেয় নাই কেন। ও বলেছিল আমার চেহারা দেখে নাকি ওর মায়া হচ্ছিল। আমাকে দেখে বলে মনে হচ্ছিল আমি একটা Innocent Child । ওরে চল্লিশ মিনিট দাঁড় করায় রাখার জন্য আমি পরে অবশ্য স্যরিও বলেছিলাম।তারপর ও আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আদুরে কণ্ঠে বলল, “স্পর্শ করবে না আমায়?

”–Obviously সেক্সের এঙ্গেল থেকে।মাল ছাড়ার কিছুক্ষণ পর,এই দশ পনের মিনিট পর আমার বাড়াটা সবসময় প্রমান সাইজ থেকে একটু বেশিই ছোট হয়ে যায়। লম্বায় কানি আঙ্গুলটার মত হয়ে যায়। কথা বলতে বলতে ও আমার বাড়াতে হাত দিল। দিয়েই চমকে শোয়া থেকে উঠে বসে পড়লো। চোখ বড় বড় করে বলল, “তোমার বাড়াটা এত ছোট হয়েছে কিভাবে?”–না,না, আমি এত গুলা খেতে পারবো না। আমি শুধু কাস্টার্ডটা আর নুডুলসটা খাবো।–ঠিক আছে,আগে শুরু কর না। বাকিটুকু পরে দেখা যাবে।খেতে খেতে জানলাম আংকেল বাসাতে আসবেন পনের দিন পর। এই কয়দিন ও বাসাতে একাই। আরও জানলাম আমাকে ওর সাথে প্রায় দুইদিন আর তিন রাত থাকতে হইতেছে।সন্ধ্যায় আমি সপ্নার রুমে খাটে শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। ও কিচেনে রাতের খাবার বানাচ্ছিল। ওর রুমটা অনেক সুন্দর করে সাজানো গুছানো। দেখেই বুঝা যায় একটা মেয়ের রুম। ডাবল বেডের বক্স খাট। খাটটা আবার অনেক নরম ছিল। শুইলে পুরা শরীর ঢুকে যায়। বিছানার সামনে একটা সিঙ্গেল কাউচ রাখা। সেটার পাশে আবার একটা হোম থিয়েটার। দেয়ালে রেক্টিংগুলার প্লাজমা টিভি। ২৭ ইঞ্চি হবে মনে হয়। তখনও এই গুলা আমাগো দেশে খুব প্রচলিত ছিল না। আংকেল মাঝে মাঝে বিদেশ গেলে নিয়ে আসতেন । ওর রুমের ডান দিকে মানে পূর্ব দিকে একটা বড় ব্যলকনি ছিল আর থাই গ্লাসের বিশাল জানালা। ওদের ফ্ল্যাটটার সবচেয়ে সুন্দর রুম মনে হয় সপ্নারটাই। রুমের ডিস্টেম্বারের সাথে ম্যাচ করে হালকা গোলাপি রঙের পর্দা লাগান হয়েছিল জানালাতে। পর্দা গুলা আবার খুব মোটা। বিছানার চাদরও হালকা গোলাপি কালারের ছিল। একটা এ.সি ও লাগানো হয়েছিল। যেটাকে ওর রুমে কিছুটা বেমানান লাগছিল । ব্যলকনি,জানালার পর এ.সি’র কোন দরকারই ছিল না। হয়ত ওটাও একটা বিলাসিতা ছিল।একটু পর ও এসে বলল, “বুজলা, বাসাতে বুয়া নাই। এজন্য সবকিছু নিজের হাতেই করতে হইতেছে। তোমারে সময় দিতে পারতেছি না।” আমি কিন্তু bore হইতেছিলাম না। তারপর বলল, “চা খাবা নাকি কফি?”আমি বললাম, “চা ই দাও। Deep sugar with light liquor.”–“ঠিক আছে,আমি আনতেছি। তারপর দুইজনে মিলে গল্প করবো।” এই বলে ও চা আনতে গেল।আমি স্পোর্টস চ্যানেল গুলা খুজতেছিলাম। HBO Cross করার সময় দেখলাম, টাইটানিক দেখাইতেছে। আমি HBO তে একটু hold করছিলাম। ঠিক ঐ মুহূর্তে সপ্না চা এর মগ হাতে এসে ঢুকল। টিভিতে চোখ দিয়েই চিৎকার করে হাত নাড়তে নাড়তে বাচ্চা মেয়েদের মত বলে উঠল, “টাইটানিক, টাইটানিক আমি দেখবো, আমি দেখবো।” তার হাতে যে চা আছে সেটার কথা সে একদমই ভুলে গেল। ফলে যা হবার তাই হল। খানিকটা চা পড়ে গেল নিচে।চা খাওয়া হলে আমরা দুইজন এক কাঁথার নিচে লাইট নিভিয়ে জড়াজড়ি করে মুভিটা দেখলাম। কাঁথাটা কিভাবে আসল সেটা একটু বলি। মুভিটা দেখার জন্য নাকি খুব রোমান্টিক পরিবেশ লাগে। সপ্নার কথা। তাই সে তখন এ.সি’তে রুম টেম্পারেচার ২০ ডিগ্রী তে সেট করে দিল। ওর বক্স খাটের ড্রয়ার থেকে একটা কাঁথা বের করে গায়ে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে পুরো মুভিটা শেষ করল। আমিও খুব এনজয় করেছিলাম মুভিটা। টাইটানিক আগেও দেখছি এই ঘটনার পরেও দেখছি। কিন্তু ঐ বারের মত মজা পাই নাই।মুভিটা শেষ করে সাড়ে ন’টার দিকে আমরা খেতে বসলাম। ও কাচ্চি বিরানী রান্না করছিল । অনেক মজা হয়েছিল। খেয়েছিলামও প্রচুর। সপ্না কথায় কথায় বলল ওর আব্বু নাকি রেড সেভেন এনেছে। আর সেটা তখন ওদের ফ্রিজেই ছিল। আমি শুনে তো খুশি। যাক অনেক দিন পরে খাওয়া যাবে। খাওয়া শেষ করে আমরা ফ্রিজ থেকে ওয়াইনের বোটল আর গ্লাস নিয়ে সপ্নার বেডরুমে গিয়ে বসলাম। দুজন মিলে গল্প করছিলাম। তখন বাজে সাড়ে দশটার মত। হঠাৎ কথা উঠল সেক্স নিয়ে ।–আচ্ছা,রিশাত,তুমি কি পর্ণোমুভি দেখ?–হ্যাঁ,দেখি মানে দেখার চেষ্টা করেছিলাম কয়েকবার।–কেন? –দেখে ভাল লাগে না। সবগুলাই একরকম। কোন ভিন্নতা নাই। একঘেয়ে।–“তোমার তাহলে ভিন্নতাও দরকার,না?” সপ্না চোখ পাকিয়ে আমার দিকে তাকায় বলল।আমি সাথে সাথে বললাম, “না ঠিক তা না, It’s just boring.

Akhialamgirsex-6Akhialamgirsex-67Akhialamgirsex-5

” আমি বলতে চাচ্ছিলাম করবো না। কিন্তু ও যেন আমায় সম্মোহিত করে ফেলেছিল। আমার মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, “করবো।” ও একটা হালকা মিউজিক ছেড়ে দিয়ে আমার কাছে এসে হাত ধরে দাঁড় করিয়ে দিল। আমি উঠে দাঁড়ালাম। ওর শরীরের কাছাকাছি হতেই ওর গা থেকে বডি স্প্রের একটা হালকা সুন্দর স্মেল নাকে আসলো। তারপর কিছুক্ষণ আমরা Ballroom Dance করলাম। সাধারণত এটা করে স্যুট,টাই আর লং স্কাট পইরা। আমরা সে রাতে করলাম সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে। অদ্ভুত মজা পেলাম। ডান্স করার সময় ওর শরীরে হাত দিয়ে অনুভব করলাম ওর স্কিনটা অনেক মসৃণ। পুরো শরীরেই একটা পরিচর্যার ছাপ ছিল। প্রায় আধা ঘণ্টা পরে আমি ওকে কোলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তারপর আমি ওর পাশে শুলাম। তখনও মিউজিকটা বাজছিল। আমি শুয়ে শুয়ে সেটা শুনছিলাম। সপ্না একটু পর গড়িয়ে এসে আমার উপর উঠল। আমি ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে ওর কপালে একটা চুমু দিলাম। আমার এখনও মনে পড়ে ওকে আমি খুব আলতো করে ধরেছিলাম। আমার কেন জানি মনে হচ্ছিল একটু চাপ খেলেই আমার এই মানুষরূপী পুতুলটা ভেঙে চুরচুর হয়ে যাবে। আমি ওকে চুমু দেবার পর সপ্নাও আমাকে চুমু দিল। এরপর দীর্ঘক্ষন আমরা লিপকিস করলাম একজন আরেকজনকে। ওর দুধ গুলো আমার খুউব ধরতে ইচ্ছা করছিল। কিন্তু মন সায় দিচ্ছিলো না। মনে হচ্ছিল ও মাইন্ড করতে পারে। তাই লিপকিসেই নিজেকে কষ্ট করে বেঁধে রাখলাম। যত না করছিলাম তার থেকে বেশি পাচ্ছিলাম। সপ্না নিজেই একটু পর আমার ডান হাতটা নিয়ে ওর দুধে ধরিয়ে দিল। আমি ওর দুধে হাত দিয়েই আঁতকে উঠলাম। এত্ত নরম শরীরের কোন অংশ হতে পারে আমার ধারনা ছিল না। আমি প্রথমে ওর দুধ গুলোতে হাত বুলাচ্ছিলাম। তারপর আস্তে আস্তে টিপতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর সপ্না আমার উপর থেকে নেমে গেল। আমি তখন ওর উপর উঠবো কিনা ভাবতে লাগলাম। স্বাভাবিক ভাবেই এর আগে কোন মেয়ের উপর উঠার Experience ছিল না। তাই ও ব্যাথা পাবে মনে করছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম ও খুব সুন্দর করে আমাকে absorb করে নিল। আমি ওর ঠোঁটে একটা কিস করলাম। সপ্নাও সাড়া দিল। সপ্নার লিপকিস মনে হয় অনেক প্রিয়। এটা অবশ্য ও আমার কাছে মুখে স্বীকার করে নাই। তবুও এখনও দেখি ও এই লিপকিস কে অনেক বেশি Priority দেয়। Even অফিসে যাবার আগেও একবার আর অফিস থেকে এসেও একবার কিস দিতেই হয়। আসলে দিতে হয়,না বলে,বলা উচিত ও আমার কাছ থেকে আদায় করে নেয়। আমার অবশ্য এটাতে সমস্যা নাই। ও যেটাতে মজা পাচ্ছে সেটা করতে আমার কি প্রবলেম?

One thought on “Akhialamgirsex”